Home / উপজেলার খবর / নবীগঞ্জ / নবীগঞ্জের সঈদপুরের নাম পরিবর্তনের চেষ্টায় একটি স্বার্থন্বেশী মহল | প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন

নবীগঞ্জের সঈদপুরের নাম পরিবর্তনের চেষ্টায় একটি স্বার্থন্বেশী মহল | প্রতিবাদে এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন


Print Friendly, PDF & Email

স্টাফ রিপোর্টার: এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও পারিবারিক মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য নবীগঞ্জের ‘সঈদপুর বাজার’- এর নাম পরিবর্তন করে ‘সৈয়দপুর বাজার’ নামকরনের হীন পাঁয়তারা করছে স্থানীয় একটি চক্র । এমন অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এলাকাবাসী । মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাংবদিকদের সাথে  কিছু সংক্ষক গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে এই অভিযোগ করা হয় । এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সঈদপুর বাজারের ব্যবসায়ী সমুজ আহমেদ । লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, স্থানীয়দের ধারনা আনুমানিক ৫শ বছর পূর্বে নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নে সঈদপুর বাজারটি প্রতিষ্ঠিত হয় । সম্প্রতি এলাকার কতিপয় কুচক্রীমহল ঐতিহ্যবাহী এ বাজারের নাম পরিবর্তন করে তাদের পারিবারিক নাম ‘সৈয়দপুর’ হিসেবে ব্যবহারের পাঁয়তারা করছে । এ মহলটি ‘সঈদপুর’ লেখা বিভিন্ন সাইনবোর্ড বাদ দিয়ে নতুন সাইনবোর্ড স্থাপনের চেষ্টা করছে । অথচ এলাকার প্রাচীন রেকর্ডপত্রে এখনও ‘সঈদপুর’ নাম উল্লেখ রয়েছে । শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন কাগজপত্র, সঈদপুর বাজার ফাযিল মাদ্রাসাহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এখনও আদি নাম ‘সঈদপুর’ ব্যবহার হয়ে আসছে । সংবাদ সম্মেলনে আরো অভিযোগ করে বলা হয়, সৈয়দ সঞ্জব আলীর চাচাত ভাইসহ তাদের দলের লোকজন নিজেদের স্ব-ঘোষিত পারিবারিক উপাধি ‘সৈয়দ’ নামটি বাজারের সাথে যুক্ত করে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জন্য এ হীন পাঁয়তারা করছে । ওই পরিবারটি এলাকার আদি বাসিন্দা নয় । জনশ্রতি রয়েছে, মাত্র দেড় শত বছর পূর্বে ওই পরিবারটি এখানে ঘর জামাই হিসেবে এসে বসতি স্থাপন করে । অথচ সঈদপুর বাজারটি প্রায় ৫শ বছর পূর্বে প্রতিষ্ঠিত । সরকারি বিভিন্ন আদি রেকর্ডপত্রে যার প্রমান এখনও বিদ্যমান রয়েছে । এ ব্যাপারে স্থানীয় গ্রামবাসী গত ৫ এপ্রিল জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করে ওই হীন পাঁয়তারা বন্ধের আবেদন জানান । জেলা প্রশাসক নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন । এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী ।

Share