Home / উপজেলার খবর / নবীগঞ্জ / প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


Print Friendly, PDF & Email

নিউজ হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ পৌর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক রাসেলের চ্যালেঞ্চ বাড়ির (ভুমির) বৈধ কাগজ-পত্র থাকলে সংবাদ পত্রের মাধ্যমে জন সম্মুখে প্রকাশ করুনগত ১০ জানুয়ারী হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক স্বদেশ বার্তা পত্রিকার শেষের পাতায় “ কোটি টাকার বাড়ি দখলকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী ফুসে উঠছে” নবীগঞ্জের চেয়ারম্যান আবুল খাযেল গোলাপকে হত্যার হুমকি, গুলিবিদ্ধ আলাউরকে সিলেট ওসমানী থেকে ঢাকায় স্থানান্তর’ শীর্ষক শিরোনামীয় সংবাদটি আমার দৃষ্টগোচর হয়েছে। সংবাদে আমার সুনামধণ্য পিতা ৩ বারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ ও আমার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, আপন মৃত ভাইয়ের কোটি টাকার বাড়িসহ এলাকার নিরীহ মানুষের জমিজমা দখল এবং চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপকে গুলি করে হত্যার হুমকি প্রদান উল্লেখ করে যে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত এবং মানহানিকর বঠে। আমি উক্ত মিথ্যা সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। প্রকৃত ঘটনা হলো নবীগঞ্জ উপজেলার লোগাওঁ মৌজাস্থিত জেএলনং ২০২, খতিয়ান নং ২৬১, দাগ নং ১৫০, মোয়াজি ২৬ শতক বাড়ি রকম ভুমি এসএ ও চলমান জরিপে আমার চাচাতো ভাই বদিউজ্জান চৌধুরীর নামে রেকর্ড রয়েছে। এবং যুগযুগ ধরে ওই ভুমিতে তারা দখল থাকিয়া সরকারী খাজনা, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের কর নিয়মিত পরিশোধ করে আসছেন। এছাড়া উক্ত ভুমিতে আমার চাচাতো ভাই বদিউজ্জামান চৌধুরী লন্ডন থেকে দেশে এসে ১৯৯৪ইং সনে প্রায় কোটি টাকা ব্যয় করে একটি দু’তলা বাড়ি নির্মাণ করে লন্ডন চলে যায়। উক্ত বাড়িতে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে। যা বদিউজ্জামানের নামে একটি বিদ্যুৎ মিটার হিসাব নং ৮০৩-৩৪০০। ফলে অদ্যাবধি থেকে ওই মিটার ব্যবহার করে বিল পরিশোধ করে আসছেন। ওই বাড়িতে কেয়ার টেকার হিসেবে লাল মিয়া নামক এক ব্যক্তি বসবাস করে আসছিল। বিগত ১৩ ফের্রুয়ারী গভীর রাতে উক্ত জিতু মিয়া মেম্বারের নেতৃত্বে ৩ জন কতিপয় লোক জোরপুর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে ওই কেয়ারটেকারকে মারপিট করে ও তার মেয়ে রুমি বেগমকে ধর্ষনের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ নারী শিশু আদালতে মামলা দায়ের করেন কেয়ারটেকারের স্ত্রী ও নির্যাতিতার মা মরিয়ব বেগম। এরপর থেকেই তারা বিভিন্ন সময় আমার চাচাতো ভাই বদিউজ্জামান চৌধুরীর বাড়িটি বর্তমান চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় জিতু মিয়া গংরা জবর দখল করার অপচেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে গত ৩০ ডিসেম্বর পরিকল্পিতভাবে আগ্নেয়াস্ত্র সহ হামলা করে। উক্ত হামলায় আমার পিতা সাবেক চেয়ারম্যান গুরুতর আহত হয়েছে। সংবাদে বলা হয়েছে বর্তমান চেয়ারম্যান, আমার পিতা ও স্থানীয় মুরুব্বীয়ানদের নিয়ে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্টিত হয়েছে। এতে আলী নেওয়াজ সাড়ে ১২ লাখ টাকার বিনিময়ে বাড়িটি পান, যা হাস্যকর ছাড়া কিছুই নয়। বদিউজ্জামানের সাথে কোন শালিস বৈঠক হয়নি এবং টাকার দেয়ার বক্তব্যটি সম্পুর্ণ অবান্তর ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। সংবাদের অপর অংশে আমাকে বিএনপির ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ্য করে ৭/৮ মাস আত্বগোপনে থাকার কথা বলা হয়েছে এবং ২০১৪ ইং সালে আওয়ামীলীগে যোগদানের বক্তব্যটি উদ্দেশ্য মুলক। আমি ২০০৪ইং সালে জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বর্তমান জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান শামীন ও তৎকালীন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ ভাইয়ের মাধ্যমে ছাত্রলীগে যোগদান করি। এর পর থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনার গণমুখি উন্নয়ন ও আন্দোলনে গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করি। এতে স্থানীয় অনেক আওয়ামীলীগের নেতারা আমার রাজনৈতিক কর্মকান্ডে ঐষারিত হয়ে নানা অপপ্রচার শুরু করে। তবুও আওয়ামীলীগ তৎকালীন বিরোধী দলে থাকাকালীন রাজপথের আন্দোলনে অগ্রনী ভুমিকা পালন করি। সংবাদে আরেক অংশে গেল উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আমার শ্রদ্ধেয় পিতা শাহ নেওয়াজকে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা বাস্তবতা বির্বজিত অসত্য ও বানোয়াট। আমি মনে করি ওই নির্বাচনে যারা আওয়ামীলীগ মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে জামায়াতের সাথে আতাত করেছিলেন তাদের পক্ষে এসব অবান্তর বক্তব্য দেয়া অসম্ভবের কিছু নয়। এ ছাড়া জিতু মিয়া মেম্বারগংরা সরাসরি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তাদের সাথে লিয়াজু করে আওয়ামীলীগের ইউপি সভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গোলাপ সাহেবের উঠাবসা এবং নানা অপকর্ম চালানোর ঘটনা এলাকাবাসীর অজানা নয়। এছাড়া বদিউজ্জামানের কোটি টাকার বিলাসবহুল বাড়িটি আমার মরহুম চাচা আলী নেওয়াজের দাবী করে যারা নানা অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন তাদেরকে চ্যালেঞ্চ করে বলতে চাই ওই বাড়ির ভুমির বৈধ কাগজ-পত্র থাকলে সংবাদ পত্রের মাধ্যমে জন সম্মুখে প্রকাশ করুন। অন্যতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অযথা বিভ্রান্ত না ছড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় আমার পরিবারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করার হীন উদ্দেশ্যে সংবাদ পত্রে ভুল তথ্য দিয়ে ওই মিথ্যা ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি স্বদেশ বার্তায় প্রকাশিত মিথ্যা, ভুয়া ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এছাড়া জিতু মিয়া গংরা বর্তমান চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় আমাকে এবং আমার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকী প্রদানসহ আমার চাচাতোভাই বদিউজ্জামানের বিলাসবহুল বাড়িটি জবর দখল করার হুমকী দিয়ে আসছেন। যার কারনে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। ভবিষ্যতে প্রমানপত্র ছাড়া অপপ্রচার করলে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য থাকিব।

Share